আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক: আজ থেকে তিন বছর আগে যখন সোহেল রানা নির্বাচন করে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে জনগণের ভালোবাসা ও আশীর্বাদ নিয়ে সাভার সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তারপর থেকেই সাভার সদর ইউনিয়নে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। সাধারণ জনগণের ভোগান্তি কমানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে ডিজিটাল ইউনিয়ন পরিসেবা।
তার দায়িত্ব অবস্থায় পুরো ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের যে বেহাল দশা ছিল, তার অনেকটাই এখন উন্নতি হয়েছে। যে রাস্তাগুলো দিয়ে এক সময় মানুষ চলাচল করতে পারত না, সেগুলো আজ চলাচলের উপযোগী হয়েছে। বাকী রাস্তাগুলোও তৈরী করা হচ্ছে চলাচলের উপযোগী করার জন্য।সোহেল রানার অক্লান্ত পরিশ্রমে বিদ্যুৎ ও গ্যাসহীন পরিবারগুলো পেয়েছে উন্নত জীবনের ছোঁয়া, বিদ্যুৎহীন পরিবার এখন আর নেই।
আগে প্রতিদিনই লেগে থাকত হানাহানি, মারামারি যা কিনা হাজী সোহেল রানার আমলেই নির্মূল হয়েছে। ছিনতাই’ নামক শব্দটা ছিল যাদের নিত্যসঙ্গী, সেখানে এখন ছিনতাই নামক শব্দটাই আর নেই। কোন চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, ভুমিদস্যু এখন আর নেই বললেই চলে। আগে বাড়ী বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করতে গেলেই লাগত চাঁদা। আগে চুরি ও ডাকাতি ছিল তাদের নিত্যসঙ্গী যা কিনা প্রশাসনের সাহায্য নিয়ে অনেকটাই নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে।
গরীব দুঃখী মানুষের আরেক নাম চেয়ারম্যান হাজী মোঃ সোহেল রানা। তার ইউনিয়নে যে সকল গরীব ও দুস্থ মানুষ আছেন, তাদের সেবা করার জন্যই তিনি সব সময় তৈরি হয়ে থাকেন। গরিব-দুঃস্থ লোক তার শরণাপন্ন হলে কেউ খালি হাতে ফিরে আসেন না। ঢাকা-১৯ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী সার্বক্ষণিক সোহেল রানার উন্নয়নের কাজের প্রশংসা করেন। সোহেল রানাও তাঁর ইউনিয়ন পরিষদকে ডিজিটাল করার জন্য সার্বক্ষণিক প্রতিমন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করে কিভাবে একে আরো উন্নত করা যায় তার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল উন্নয়নের যে পথ নির্দেশনা দিয়েছেন, চেয়ারম্যান সোহেল রানা সেই নিদর্শনা বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর হয়ে জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সাভার উপজেলার একমাত্র ইউনিয়ন পরিষদ হলো সাভার সদর ইউনিয়ন পরিষদ, যাদের নিজস্ব জায়গায় ভবন তৈরীর কাজ প্রায় শেষের দিকে। আর এই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে সোহেল রানা নির্বাচিত হবার পরেই এই বিরল অর্জনটি সম্ভব হয়েছে।